দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় গাছের চারা বিতরণের সময় জৈব সারের মান নিয়ে কৃষকদের অভিযোগের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা ফেরত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চত্বরে চারা ও সার বিতরণ কার্যক্রম চলাকালে কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করেন, জৈব সারের বস্তার মধ্যে পলিথিন, ময়লা ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য মিশ্রিত উপাদান পাওয়া গেছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ২০০ জন কৃষক ও ১০০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় আম, জলপাই, নিম, ঘোড়ানিম, মেহগনি ও লেবুর চারা বিতরণের পাশাপাশি প্রতিটি গাছের সঙ্গে ৩০ কেজি করে জৈব সার দেওয়ার কথা রয়েছে।
বিতরণকালে কয়েকজন কৃষক সারের বস্তা খুলে তাতে পলিথিন ও আবর্জনাসদৃশ উপাদান দেখতে পান বলে অভিযোগ করেন। এ কারণে অনেকেই সার গ্রহণ না করে শুধু গাছের চারা ও বাঁশের খুঁটি নিয়ে ফিরে যান।
বাড়াকান্দি গ্রামের কৃষক আলতাফ হোসেন বলেন, জৈব সার দেওয়ার নামে পলিথিন, ময়লা ও আবর্জনা মিশ্রিত বর্জ্য দেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে আমরা অনেকেই সার না নিয়ে শুধু চারা নিয়েছি।
আরেক কৃষক রঞ্জু বলেন, সারের মান ভালো মনে হয়নি। এর আগে কৃষি অফিস থেকে ভালো সার পেয়েছি। এবার দেওয়া সার নিয়ে সন্দেহ হয়েছে।
তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মন বলেন, যেসব বস্তায় নিম্নমানের বা ভেজাল সার পাওয়া গেছে, সেগুলো আলাদা করে রাখা হয়েছে। কৃষকদের ভালো মানের সার বেছে নিতে বলা হয়েছে এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ত্রুটিপূর্ণ সার ফেরত পাঠানো হবে।
কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ড. বিপাশা হোসাইন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। যেখান থেকে সার সংগ্রহ করা হয়েছে, সেখানে নিম্নমানের সার ফেরত দিয়ে নতুন করে মানসম্মত জৈব সার এনে কৃষকদের মধ্যে পুনর্বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জে আই